Tuesday, April 25, 2023

শচীনের জীবনের সবচেয়ে মন্থর ‘৫০’

 শচীন টেন্ডুলকারের বাবা রমেশ টেন্ডুলকার ছিলেন বিখ্যাত বাঙালি সংগীত পরিচালক শচীন দেব বর্মণের ভক্ত। এজন্য তিনি ছেলের নাম রাখেন শচীন। তার বাবা ছিলেন মহারাষ্ট্রের নামকরা কবি ও সাহিত্যিক।

কিন্তু শচীন সুরকার, লেখক হননি। কৈশোরে মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কে আচরেকার স্যারের হেডমাস্টারিতে সকাল-বিকাল ক্রিকেটের ক্লাস করতেন। আচরেকার স্যার স্টাম্পের ওপর এক রুপির কয়েন রেখে দিতেন। শর্ত ছিল শচীনকে যে বোলার আউট করবে, সে পাবে এক রুপি।

আর শচীন যদি গোটা অনুশীলন পর্ব আউট না হয়ে পার করে দেন, তাহলে ওই কয়েন যাবে তার পকেটে।

আজ ৫০ পূর্ণ করা ওই কিংবদন্তি ব্যাটারের

সংগ্রহে রয়েছে ১৩টি কয়েন। সেই ১৩ রুপি যা

তিনি পুরস্কার হিসাবে পেয়েছিলেন প্রয়াত আচরেকার স্যারের কাছ থেকে।

১৩ সংখ্যার পর ১৪। ১৪ বছর বয়সে ১৯৮৭ সালে বিশ্বকাপে মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ভারত-জিম্বাবুয়ে ম্যাচে বল বয় হিসাবে তার শুরু। ছেলেবেলায় ক্রিকেট ব্যাট সঙ্গে নিয়ে ঘুমাতে যেতেন। তিন কাঠির খেলাটির প্রতি তার ভালোবাসা ছিল এমনই।

ক্রিকেটের আকাশে শচীন হচ্ছেন রেকর্ডের নক্ষত্রপুঞ্জ। বিশ্বের একমাত্র ব্যাটার তিনি, যার নামের পাশে রয়েছে ১০০ সেঞ্চুরি (টেস্টে ৫১ ও ওডিআইতে ৪৯)।

২৪ এপ্রিল ২০২৩-এ ৫০ পূর্ণ হলো তার। টেস্ট ও একদিনের ক্রিকেটে ১৬৪ ফিফটির (৬৮ ও ৯৬) মালিক শচীন বলেন, এটাই তার জীবনের সবচেয়ে মন্থরতম হাফ সেঞ্চুরি।

কতশত রেকর্ডের ফুল ফুটিয়েছেন। কত মাইলফলক পেরিয়েছেন। সেই কবে ২০১২ ও ২০১৩ সালে যথাক্রমে ওয়ানডে ও টেস্ট ক্রিকেটকে বিদায় জানালেও আজও তার আকাশচুম্বি জনপ্রিয়তায় এতটুকু আঁচড় পড়েনি। ক্রিকেটের আকাশে শচীন টেন্ডুলকার এক ধ্র“বতারা।

No comments:

Post a Comment

Popular Feed

Recent Story

Featured News

Back To Top